ওয়ার্ডপ্রেস-এর ইতিহাস:
ওয়ার্ডপ্রেস -এ প্রথম পথ চলা শুরু হয়েছিল ২০০৩ সাল থেকে। ওইসময় ইন্টারনেট জগতে ব্লগিং লেখার চাহিদা খুব একটা ছিল না। ওই সময় দু-জন ডেভেলপার (অর্থাৎ Matt Mullenweg এবং Mike Little) মিলে এমন একটি প্লাটফর্ম তৈরী করে ফেলে যার নাম দেয় ওয়ার্ডপ্রেস- যা এখন মার্কেটে খুব চাহিদা রয়েছে।
ওয়ার্ডপ্রেস শুধুমাত্র ব্লগিং লেখার জন্য ব্যবহার করা হতো। তারপর থেকে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন ফিচার যোগ করা হয়ে - যেমন ধরুন থিম, প্লাগইন এবং মানুষ যাতে কাস্টমাইজ করতে পারে সেই ফিচার গুলো যোগ করা হয়।
খুব সময়ের মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস দ্রুত জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। এটি ফ্রি, খুব সহজে ব্যবহার করা যায় এবং এটি ওপেন সোর্স এই কারণে মানুষ ওয়ার্ডপ্রেস পছন্দ করে।
বর্তমান মার্কেটে যদি আমরা দেখি ওয়ার্ডপ্রেস শুধু ব্লগিং এর জন্য নয় সঙ্গে ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে আপনি একটি অনলাইন স্টোর, নিউজ এর ওয়েবসাইট সাথে একটি কর্পোরেট প্রফেশনাল ওয়েবসাইট, এডুকেশন ইত্যাদি ওয়েবসাইট খুব সহজে তৈরী করা যায়।
ওয়ার্ডপ্রেস হলো কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(CMS) যা একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট তৈরী করার প্লাটফর্ম, যেখানে খুব সহজে ব্লগিং থেকে শুরু করে বিজনেস ওয়েবসাইট, কারোর পোর্টফোলিও, নিউজ এর ওয়েবসাইট কিংবা কারোর অনলাইনে শপ যা সহজে প্রস্তুত করা যায়।
অনেকে ভাবছেন ওয়েবসাইট তৈরী করতে হলে কোডিং জানতে হবে, তা কখনো নয় বরং কোডিং ছাড়া একটি সুন্দর মানের ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস শিখলেই আপনি নিজেই একটি সুন্দর ওয়েবসাইট আপনি খুব সহজে তৈরী করে নিতে পারবেন, সঙ্গে আপনি বাড়িতে বসেই খুব সহজে ফ্রীল্যান্কিং ও করতে পারবেন।
মূলত যেই দুটোর মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেস কাজ করা হয়ে থাকে তা হলো থিম এবং প্লাগিনের মাধ্যমে। থিম এর কাজ হলো একটি ওয়েবসাইটেকে ডিসাইন পরিবর্তন করা, আর প্লাগিনের কাজ হলো নতুন নতুন ফিচার ওই ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগ করতে সাহায্য করে। যেমন ধরুন আপনার ওয়েবসাইটে যোগাযোগ ফর্ম থেকে শুরু করে অনলাইন পায়ামেন্ট পর্যন্ত এই সমস্ত কিছু প্লাগিনের মাধ্যমে করা সম্ভব।
আর একটি সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো খুবই অল্প খরচে আপনি আপনার জন্য একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে পারবেন।
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে অনেকে ওয়ার্ডপ্রেস শিখে বাড়িতে বসে ফ্রিল্যান্সিং এবং কারোর অনলাইন স্টোর তৈরী করার জন্য ওয়েবসাইট প্রস্তুত করে নিতে পারবেন।


.jpg)


0 মন্তব্যসমূহ