AI-Power মার্কেটিং কী?
AI-Power মার্কেটিং হলো বর্তমানে সবচেয়ে বড়ো মার্কেটিং। যেখানে আধুনিক অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করা হয়ে থাকে যেখানে শুধুমাত্র সাধারণ কনটেন্ট লেখার উপর নির্ভর করে থাকা যায় না বরং একজন গ্রাহকের তার কেমন আচরণ তা বিশ্লেষণ করা হয়, বিজ্ঞাপন অপ্টিমাইজ , কাস্টমার সাপোর্ট থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুর উপর কাজ করা হয়ে থাকে।
আমাদের ব্যবসার উন্নতির ক্ষেত্রে AI এর ব্যবহার করা হয় যাতে সনাক্তকরণ করতে পারে কোন গ্রাহক কোণ কোন ধরণের পণ্য পছন্দ করছে, আবার এও সনাক্ত করছে যে গ্রাহক কখন সেই পণ্য কেনার চাহিদা অর্থাৎ সম্ভবনা বেশি থাকবে। এর ফলে কি হয়, আমাদের প্রোডাক্ট সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে যায় এবং তা কেনার চান্স অনেকখানি বেড়ে যায়।
ছোট থেকে বড়ো ব্যবসায়ীরা পর্যন্ত অর্থাৎ বিভিন্ন রকম কর্পোরেট সংস্থা তারাও AI মার্কেটিং এর উপর নির্ভর করে থাকে। এইটুকু বলা যেতে পারে যারা তাদের ব্যবসার জন্য।
AI এজেন্ট এবং ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্স কী?
AI এজেন্ট এবং ভার্চুয়াল এসিটান্স বর্তমানে অর্থাৎ ২০২৬ এর উপর দাঁড়িয়ে যদি বলা যায় অনেকে রেয়েছেন যারা তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য খুঁজে থাকেন গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের পরিবর্তে ব্যবহার করে থাকেন AI অ্যাসিস্ট্যান্স।
আরও সহজ সরল ভাষায় বলতে গেলে ধরুন কোনো ইউসার তার প্রয়োজনীয় পণ্য অর্থাৎ ধরে নিন মোবাইল, সেখানে গুগল সার্চ ইঞ্জিন-এ গিয়ে বিভিন্ন রকমের ওয়েবসাইট ঘেটে থাকেন তা অনেক সময়ে সাপেক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়।
কুইক রেজাল্ট পাওয়ার জন্য AI ব্যবহার করে থাকেন, AI সেখানে আপনার প্রয়োজনীয় পণ্য দেখিয়ে দেয় যা খুব কম সময়ের মধ্যে রেজাল্ট পেয়ে যান। এখানে শুধুমাত্র আপনার জন্য খুঁজে থাকে না বরং তার নিজের অপ্টিমাইজ করার প্রয়োজন পড়ে। আমাদের ওয়েবসাইটের পণ্য এমন ভাবে অর্থাৎ সুন্দরভাবে সাজাতে হবে যেখানে AI খুব সহজে বুঝতে পারে।
AI সার্চ অপটিওমাইজেশন কী?
আমরা যদি দেখি ট্রাডিশনাল SEO ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে AI সার্চ অপ্টিমাইজেশন এর দিকে। আরও সহজ সরল ভাষায় বলতে গেলে ধরুন মানুষ নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়ার জন্য গুগল-এ গিয়ে সার্চ করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে তা গুগল সার্চ-এ অনেক ওয়েবসাইট খুঁজে পাওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় লাগে, তা কম সময়ের মধ্যে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়ার জন্য AI ব্যবহার করে থাকেন।
যদি AISO এর কথা বলা যায় তাহলেও এদের উদ্দেশ্য হলো এমন কিছু কনটেন্ট যা বিশ্লেষণ করে অর্থাৎ AI দ্বারা বিশ্লেষণ করে যা মানুষ খুঁজছে এবং তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
হাইপার পার্সোনালিশন:
আজকের দিনে প্রযুক্তি এতটাই এগিয়ে গেছে যে মানুষের কি চাহিদা সেই অনুযায়ী মার্কেটিং এর যে অভিজ্ঞতা তা তৈরী করে। যদি আগের কথা বলা যায় তাহলে মানুষ একটি বিজ্ঞাপন তৈরী করতো এবং সেটিকে বিভিন্ন মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতো।
কিন্তু এখন সময়ের সঙ্গে অনেক আপডেট হয়েগেছে কারণ AI প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের টেস্ট অনুযায়ী তাদের কাছে বিভিন্ন ধরণের অফার, পণ্য পৌঁছে দেওয়া হয়ে থাকে।
আরও সহজ সরল ভাষায় বলতে গেলে ধরুন একজন ইউসার তার প্রয়োজনীয় জিনিস খুঁজছে অর্থাৎ সে মোবাইল কিংবা তার পোশাক খুঁজছে। সেই পণ্যের উপর তার কাছে বিভিন্ন অফার বা পণ্য পাঠানো হয়ে থাকে। যাতে ওই ইউসার পণ্যটি কেনে এতে সেল বেড়ে যায়।
মানুষের চাহিদা যেমন তার উপর নির্ভর করে অফার কিংবা পণ্য পাঠানো হয়ে থাকে।
ফার্স্ট পার্টি ডাটা মার্কেটিং:
আগে "থার্ড পার্টি কুকিজ" ব্যবহার করা হতো কিন্তু ডেটা প্রাইভেসী এতটাই সুরক্ষিত করা হচ্ছে যে থার্ড পার্টি কুকিজ এর ব্যবহার পরপর কমে যাচ্ছে। যতরকমের ব্যবসা রয়েছে তাদের ব্যবসার জন্য ফার্স্ট পার্টি ডাটা মার্কেটিং আগের থেকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
ফার্স্ট পার্টি ডাটা কি অর্থাৎ ব্যবসারীরা কি কি সংগ্রহ করছে?
যেমন ধরুন ইমেইল সাবস্ক্রিপশন, লয়ালট্রি প্রোগ্রাম, ওয়েবসাইট রেজিশ্ট্রেশন, সঙ্গে কাস্টমার সার্ভে ইত্যাদি। এই ডেটা গুলো যেমন অনেক নির্ভর করা যায় তেমন নিরাপদ। এই মার্কেটিং প্রোসেস যা ব্যবসার ক্ষেত্রে খুবই উন্নতি করে।
শর্ট ভিডিও মার্কেটিং কী?
বর্তমানে মার্কেটিং মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ডিজিটাল মার্কেটিং প্রক্রিয়া হলো শর্ট ভিডিও মার্কেটিং। ধরুন কোনো পণ্য এর একটি শর্ট ভিডিও তৈরী করে মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। এতে উজারদের দ্রুত মনোযোগ আকর্ষণ করে।
বিভিন্ন রকমের সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে এই শর্ট ভিডিও মার্কেটিং করা হয়ে থাকে যেমন ধরুন ইউটিউব, ফেইসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি। এইসব প্লাটফর্ম খুবই জনপ্রিয় ফলে এতে আমাদের পণ্য লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়।
রিটেল মিডিয়া নেটওয়ার্ক কী?
এটি এমন এক বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা যেখানে ছোট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বড়ো ব্যাবসায়ী তাদের প্রোডাক্ট সেল করার জন্য নিজেদের প্লাটফর্মে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। এতে লোকাল থেকে শুরু করে বাইরের ক্লায়েন্ট কে তাদের ব্রান্ড অর্থাৎ পণ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।
কোনো ক্রেতা তার প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার জন্য গুগল-এ সার্চ করে থাকেন বা কোনো পণ্য কেনার যখন প্ল্যান থাকে সোশ্যাল মিডিয়া সেই পণ্যের এডস যখন তার সামনে আসে সেখানে কেনার চান্স অনেক খানি বেড়ে যায়। রিটেল মিডিয়া নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সমস্ত রকমের ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে, এর চাহিদা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।
কমিউনিটি লিড মার্কেটিং কী?
বর্তমানে গ্রহকরা যেমন তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করে থাকেন সেই সঙ্গে বিভিন্ন কমিউনিটি এর অংশ হতে চায় কারণ তারা নতুন নতুন প্রোডাক্ট ওই কমিউনিটি এর মাধ্যমে পেতে চায়। বর্তমানে খুব জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোতে কমিউনিটি থাকে যেমন ধরুন ফেইসবুক গ্রুপ, প্রাইভেট কমুইনিটিজ, মেম্বারশিপ প্রোগ্রাম ইত্যাদি এর মতো থাকে।
অথেন্টিক ব্র্যান্ড স্টোরিটেলিং কী?
বর্তমানে AI এর ব্যবহার এতটাই বেড়ে চলেছে যে মানুষের কন্সটেন্ট তৈরী করার জন্য বেশি সময় না দিয়ে খুব কম সময়ের মধ্যে AI ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরী করে থাকেন। তাই মানুষ এখন AI কনটেন্ট এর পরিবর্তে অথেন্টিক কনটেন্ট খুঁজে বেড়াচ্ছেন।
ক্রিয়েট এবং ইনফ্লুয়েন্সের মার্কেটিং ইভোল্যুশন কী?
আগে বড়ো বড়ো সেলেব্রেটি এর উপর নির্ভর করে মার্কেটিং করা হতো। কিন্তু এখন ক্রিয়েটর এবং ইনফ্লুয়েন্সের এর মাধ্যমে মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। যেখানে সেলেব্রেটিকে অনেক টাকা দিয়ে মার্কেটিং করা হতো অর্থাৎ অনেক খরচ পড়তো।
ক্রিয়েটর এবং ইনফ্লুয়েন্সার ফলোয়ার অনেক বেশি থাকে এবং মার্কেটিং অনেক কম খরচে হয়ে যায়।

0 মন্তব্যসমূহ