দুটো ডিসাইন এর মধ্যে কাজ কেমন হয়:
গ্রাফিক্স ডিসাইন:
একটা ভুয়সিয়াল ডিসাইন তৈরী করার জন্য গ্রাফিক্স ডিসাইন করে থাকি। যেমন ধরুন গ্রাফিক্স ডিসাইন মূলত হয়ে থাকে লোগো ডিসাইন, ব্যানার ডিসাইন, পোস্টার থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া ডিসাইন সমস্ত রকম নিজের ব্র্যান্ডিং কে গ্রোথ করার জন্য ডিসাইন করা হয়ে থাকে। যখন ডিসাইন করার সময় আপনার মধ্যে কালার, টাইপোগ্রাফি এবং ভিসুয়ালি ব্যালেন্স এর ভালো জ্ঞান থাকে তাহলে এই কাজে দ্রুত উন্নতি ঘটে।
আর যদি ওয়েব ডিসাইন এর কথা বলি তাহলে একটি ওয়েবসাইট তার লেআউট কি ভাবে রাখতে হবে এবং ব্যবহার কারীরা তাদের ওয়েবসাইটে কেমন থাকবে তা ভিসুয়াললি দেখানো হলো ওয়েবসাইট ডিসাইন এর কাজ।
আরও সহজ সরল ভাষায় বলতে গেলে একটা ওয়েবসাইটে নেভিগেশন কেমন থাকবে, বোতাম কোথায় থাকবে, ফর্ম কোথায় থাকবে তা সমস্ত কিছুই ওয়েবসাইটের মধ্যে খুব সুন্দর ভাবে এরেঞ্জ করতে হবে যাতে ইউসার খুব সহজে ব্যবহার করতে পারে।
একটি ওয়েবসাইট তৈরী করতে প্রয়োজন যাতে কোনো কিছু সমস্যা হলে তার সমাধান যেন আমাদের কাছে থাকে সেইভাবে আমাদের ডিসাইন করতে হবে।
সফটওয়্যার:
আমরা ডিসাইন করার সমস্যা বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি যেমন ধরুন Adobe Photoshop, Adobe Illustrator, Figma, CorelDraw এবং canva এই গুলো ব্যবহার করে আমরা ডিসাইন করে থাকি।
কোন সফটওয়্যার কি কি ডিসাইন বেশি করা হয়ে থাকে যেমন ধরুন Illustrator এর মাধ্যমে বেশিরভাগ Logo ডিসাইন করা হয়ে থাকে, Photoshop ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টার, হোল্ডিং, লেটারহেড থেকে শুরু করে যে সমস্ত ডিসাইন প্রিন্টআউট করা হয়ে থাকে ঐসব ডিসাইন photoshop এ করা হয়ে থাকে।
আর canva এখন এতো সহজ সরল হয়ে গেছে যে যে কেউ এখানে এসে তাদের প্রয়োজনীয় মতো ডিসাইন করে ফেলে কোনো রকম অসুবিধা ছাড়াই অর্থাৎ যে ডিসাইন করতে না জানে সেও খুব সহজে ডিসাইন করে ফেলে খুব সহজে।
Figma, Adobe XD, sketch সঙ্গে এলিমেন্টর এর মাধ্যমে অর্থাৎ এইসব সফটওয়্যার ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরী করা হয়ে থাকে। এছাড়াও অন্যান্য সফটওয়্যার ও ডিসাইন করা হয়ে থাকে।
ওয়েবসাইট অর্থাৎ UX / UI ডিসাইন করার সময় যেমন ভিসুয়াললি দেখানোর জন্য এই সমস্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে যাতে ইউসার বুঝতে পারে তাদের ওয়েবসাইট লেআউট কেমন থাকবে তা দেখানোর জন্য Figma, Adobe XD, sketch এই সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
তেমনি ওয়েবসাইট কাজ করার জন্য অর্থাৎ ওয়েবসাইট বিল্ড করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস এর সঙ্গে এলিমেন্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে যা ওয়েবসাইট পেজ তৈরী করার ক্ষেত্রে খুবই শক্তিশালী। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ইউসাররা তার ওয়েবসাইটের ইন্টারফেস পর্যন্ত ডিসাইন করে ফেলেন।
কতটা প্রয়োজন লাগে?
আমরা যখন গ্রফিক্স ডিসাইন করবো তখন কোনো রকমের কোডিং এর জানার প্রয়োজন লাগে না কারণ আমরা ডিসাইন করে ভিসুয়াললি ক্লায়েন্টকে দেখাবো। তাদের ব্যবসাকে আরও উন্নত করার জন্য আকর্ষণীয় সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু ভিসুয়াললি দেখাবো।
আর যখন আমরা ওয়েবসাইট ডিসাইন করবো তখন আমাদের কোডিং জানার প্রয়োজন পড়ে। কারণ ওয়েবসাইট ডিসাইন ক্রিয়েটিভিটি এর প্রয়োজন লাগে, তাও কোনো সমস্যা তৈরী হলে তার সমাধান ও আমাদের বের করে দিতে হবে। ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ইউসার ভিসুয়ালি দেখা মাত্র নয় বরং ইন্টারফেস ও দেখে। সেক্ষেত্রে কোডিং জানা প্রয়োজন।
ফ্রীল্যানসিং:
যদি কেউ গ্রাফিক্স ডিসাইন এর উপর ফ্রীল্যানসিং করতে চায় সেক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের পালটফর্ম রয়েছে যেমন ধরুন Upwork, Fivver, Freelancer এর মতো প্লাটফর্ম। এখানে আপনারা বিভিন্ন ধরণের কাজ করতে পারবেন এবং ক্লায়েন্ট ও আপনি পেয়ে যাবেন। যেমন ধরুন লোগো ডিসাইন, সোশ্যাল মিডিয়া ডিজাইন, ফটোএডিটিং থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু গ্রাফিক্স এর কাজ পেয়ে যাবেন।
গ্রাফিক্স ডিসাইন এর চেয়েও মার্কেটে বেশি ডিমান্ড রয়েছে ওয়েবসাইট ডিসাইন। একজন গ্রাফিক্স ডিসাইন যা আয় করে তার থেকেও বেশি আয় করা যায় ওয়েবসাইট এর উপর কাজ করে।
অর্থাৎ আরও সহজ সরল ভাবে বোঝাতে গেলে একজন গ্রাফিক্স ডিসাইনার লোগো থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া ডিসাইন পর্যন্ত যা কিছু ডিসাইন আছে তা কাজ করে যা টাকা উপার্জন করে যা টাকা উপার্জন করে। একজন ওয়েবসাইট ডিসাইনার একটি ক্লায়েন্ট এর কাজ করে তার থেকে বেশি টাকা উপর্জন করে থাকে অর্থাৎ কম কাজ করে বেশি থাকা উপার্জন করে থাকেন।
সময়:
কয়েক মাসের মধ্যে গ্রাফিক্স ডিসাইন শেখা যায় অর্থাৎ যদি আমরা প্রতিদিন প্রাকটিস করে থাকি সেক্ষেত্রে কম সময়ের মধ্যে শেখা যায় গ্রাফিক্স ডিসাইন। তবে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিসাইনার হতে চাইলে সেক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।
কিন্তুই ওয়েবসাইটের ডিসাইনার অর্থাৎ UX/UI ডিসাইনার এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের টুলস সম্পর্কে জানা এবং বিভিন্ন রকমের ধারণা অর্থাৎ জ্ঞান অর্জন করতে লাগে। তবে একজন প্রফেশনাল ওয়েবসাইট ডিসাইনার হতে গেলে যেমন সময় লাগে তেমন ক্যারিয়ার অর্থাৎ ভবিষৎ উজ্জ্বল হয়।
ক্যারিয়ার:
যদি আমরা গ্রাফিক্স ডিসাইনার এর কথা বলি সেক্ষেত্রে একজন প্রোফেসনাল ডিসাইন হতে গেলে একটু সময় লাগে তবে পরের দিকে তাদের বিভিন্ন পসিশন এ পৌঁছায় যেমন ধরুন সিনিয়র ডিসাইনার হলে টাকা ও তেমন থাকে সঙ্গে ব্র্যান্ড ডিসাইনার, আর্ট ডিসাইনার কিংবা ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হওয়া যায় গ্রাফিক্স ডিসাইন কাজ করে।
আর যদি একজন ওয়েবসাইট ডিসাইনার এর কথা বলা যায় সেক্ষেত্রে বলা যায় আপনি যদি প্রোফেসনাল ডিসাইনার হয়ে থাকেন তাদের যেমন ইনকাম ইম্প্রোভ হয়ে তারসঙ্গে ভালো পসিশন ও পৌঁছায়। গ্রাফিক্স ডিসাইনার এর থেকে ভালো ইনকাম একজন ওয়েব ডিসাইনার করে থাকেন।
এই দুটো দিক বলতে গেলে যথেষ্ট পরিমানে ভালো দিক এবং বর্তমানে এদের চাহিদা বেড়েই চলেছে। এই ডিসাইন-এর কাজ শিখে অনেকে ফ্রীল্যানসিং করে এবং ভালো টাকা ইনকাম করে থাকে।
আশাকরি আমরা আমাদের এই আর্টিকেল এর মধ্যে বোঝাতে পেরেছি যে একজন গ্রাফিক্স ডিসাইনার এবং একজন ওয়েব ডিসাইনাররা কি কি বিষয়ের উপর কাজ করে থাকেন। পরবর্তীতে কোন কোন পসিশন এ যাওয়া যায়, এবং এও জানলাম কোন ডিসাইন উপর কাজ করলে কি পরিমানে ইনকাম করা যায়।
আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ সময় করে আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ার জন্য। এইরকম হেল্পফুল আর্টিকেল আমরা দিয়ে থাকি। এই আর্টিকেল যদি আপনার হেল্প করে থাকে তাহলে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানাবেন।
0 মন্তব্যসমূহ